যে বাচ্চা মেয়েগুলোকে এপস্টিন দ্বীপে নির্মমভাবে ধ*র্ষণ করে মে*রে ফেলা হতো তাদেরকে এই দ্বীপে আনা হতো দুইটা উপায়ে।
প্রথমটাতে জেফ্রি এপস্টেইন তার এরিয়ায় আশেপাশের স্কুল কলেজ থেকে বাচ্চাদেরকে টার্গেট করে অপপহরণ করে নিয়ে আসতো। এক্ষেত্রে টাকাপয়সা, চাকরি, বিলাসী জীবন এসবের প্রলোভনেই আনা হতো।
কাজের নাম করে বাধ্য করা হতো বিভিন্ন মিলিয়নিয়ারদের শরীর মাসাজ করে দিতে, তাদের লালসা মিটাতে। এর পরবর্তী ধাপে তাদেরকে বাধ্য করা হতো বিকৃত যৌ*নাচারে লিপ্ত হতে।
এই ধাপেই মেয়েগুলোর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে, নির্যাতন করে তারপর বিকৃত যৌ*না*চারের মাধ্যমে মেরে ফেলা হতো।
কিছু মেয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসতে চেয়েছিল, পুলিশকে জানাতে চেয়েছিল। এজন্যে তাদের অনেককেই পরবর্তীতে গুম করে ফেলা হয়েছিল।
যেহেতু নিজ দেশ এবং কাছাকাছি এরিয়া থেকে মেয়েগুলোকে নিয়ে আসলে মিডিয়া এবং আইনগত জটিলতা ছিল তাই জেফ্রি এপস্টেইনের আরেকটা পথ বেছে নিয়েছিল।
বিকল্প উপায় হিসেবে সে বেশিরভাগ বাচ্চা মেয়েকে নিয়ে আসতো বিভিন্ন দেশ থেকে পাচার করে।
এই পাচার করে আনার মূল কাজটা জেফ্রি এপস্টেইন ই করতো। আর তাকে এই কাজে সাহায্য করতো তার স্ত্রী ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল।
পাচার করে আনার জন্যে ওরা একটু অনুন্নত দেশগুলোকে বেছে নিত যাতে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে সহজেই আয়ত্ত করা যায়।
দ্বীপে তাদের যে অতিথিরা থাকতো তাদের বেশিরভাগেরই চাহিদা ছিল ছোট ছোট বাচ্চা মেয়ে। বাচ্চাগুলোর বয়স যত কম হবে ইনভেস্টমেন্টও বেশি পাওয়া যেত।
বাচ্চাদেরকেই বেছে নিত কারণ তারা যে বা'আল আর মলোচ শয়তানের পূজা করতো সে শয়তানের পছন্দ হচ্ছে নরপশু। এজন্যেই ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে বেছে নিত বিলিয়নিয়াররা।
তাই শুধুমাত্র বাচ্চা পাচার করে আনার জন্যেই জেফ্রি এপস্টেইনকে বিলিয়ন ডলারের ইনভেস্টমেন্ট দেয়া হয়েছিল। তুরস্ক থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে অনেকগুলো বাচ্চাকে অপহরণ করেও এনেছিল সে।
আই রিপিট ২০০ মিলিয়ন!
এপস্টেইনের এক সহযোগী স্বীকারোক্তি পর্যন্ত দিয়েছে যে তারা তুরস্কের ভূমিকম্পের সময় একসাথে অনেকগুলো বাচ্চাকে অপহরণ করেছিল।
এই ইনভেস্টমেন্ট গুলো অর্থের যোগান দিতো ট্রাম্প, বিল গেটস থেকে শুরু করে বড় বড় নামী দামি বিলিয়নিয়াররাই।
Epstein ফাইলের তথ্যমতে জেফ্রি এপস্টেইন এখন পর্যন্ত হাজার হাজার বাচ্চা মেয়েকে পাচার করে এই দ্বীপে নিয়ে এসেছিল।
এগুলোর বেশিরভাগ আনা হতো সিরিয়া, কুর্দি থেকে অথবা আইসলেন্ড থেকে। তাছাড়া কিছু কিছু মেয়েকে শরণার্থী শিবির থেকেও আনা হতো।
এজন্যেই পশ্চিমা গডফাদাররা বিভিন্ন অনুন্নত দেশগুলোর শরণার্থী শিবিরে কোটি কোটি টাকার অনুদান দিতো যাতে প্রলোভিত করে সহজেই স্বার্থ হাসিল করে নেয়া যায়।
এসব দেশের শরণার্থী শিবির থেকে জেফ্রি এপস্টেইন বাচ্চা মেয়েগুলোকে আনতো চাকরি অথবা টাকার প্রলোভন দেখিয়ে।
অনেক ক্ষেত্রে বাচ্চাগুলোর বাবা মাকে বিপুল পরিমাণ টাকা পয়সা এবং নাগরিকত্বের প্রলোভন দেখিয়েও বাচ্চাকে পাচার করে নিয়ে আসা হতো।
দারিদ্র্যতা এবং টাকাপয়সার লোভে কিংবা আরেকটু ভালো জীবনের আসায় অনেক বাবা মা তাদের ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েকে দিতে রাজি হতো। অনেক ক্ষেত্রে না দিলে অপহরণ করে নিয়ে আসতো।
তারপরই দ্বীপে এনে এসব মেয়েকে ধ*র্ষণ করে ওদের নাড়িভুঁড়ি চিড়ে স্যুপ বানিয়ে খাওয়া হতো, অন্ত্র থেকে মল বের করে খেতো, তারপর আগুনে ঝলসে পুড়িয়ে পার্টি করতে করতে ওদের মাংস খাওয়া হতো।
এতসব নিকৃষ্টতার মধ্যে দিয়েই বাচ্চাগুলোকে সবশেষে মে*রে ফেলা হতো।
বাবা মায়েরা পরবর্তীতে জানতেও পারতো না তাদের বাচ্চা মেয়েটার সাথে কি ঘটেছিল।
যে বাবা মা আরেকটু ভালো জীবনের আসায় তাদের বাচ্চা মেয়েগুলোকে পাঠিয়েছিল কিংবা যে মেয়েগুলোকে অসুন্দর একটি পহরণ করে নিয়ে আসা হয়েছিল
তাদের বাবা-মায়েরা হয়তো কোনদিন জানতেও পারবে না কতটা নিকৃষ্টভাবে তাদের আদরের মেয়েগুলোকে মে*রে ফেলা হয়েছিল!😥😥😥
#এপস্টেইনফাইলস
#এপস্টেইনদ্বীপ
#শিশুপাচারবন্ধকরুন
#ন্যায়বিচারচাই
#মানবতা_বাঁচাও #EpsteinList #BDsimpletips

0 মন্তব্যসমূহ